নিজস্ব প্রতিনিধি
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নে ১০ বছরের এক অবুঝ শিশুকে ধর্ষণের এক জঘন্য ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ট্রলার চালক কর্তৃক এই পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় পুরো ইউনিয়ন জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। তবে ঘটনার পর পরই পুলিশি তৎপরতায় অভিযুক্ত ধর্ষক মো. দুলাল গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন, ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১০:৫০ মিনিটের দিকে ছোটবিঘাই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মাটিভাংগা গ্রামে এই কলঙ্কজনক ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাটিভাংগা গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় ট্রলার চালক মো. দুলাল গাজী (৬০) আজ সকালে একা পেয়ে ওই ১০ বছরের শিশুটিকে ফুসলিয়ে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক অবস্থা ও কান্না দেখে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পান এবং দ্রুত তা জানাজানি হলে পুরো ছোটবিঘাই ইউনিয়নের সচেতন নাগরিকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন যুবসমাজ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, "আজ ছোটবিঘাইয়ের মাটি কলঙ্কিত! আজ এই অবুঝ মেয়ের সাথে এই অন্যায় হয়েছে, এর যদি কঠিন বিচার না হয় তবে কাল আমাদের কারোর মেয়ের সাথে এমনটা ঘটবে না, তার গ্যারান্টি কোথায়?" লম্পট দুলাল গাজীর এমন দৃষ্টান্তমূলক ও কঠিনতম শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে, যাতে ভবিষ্যতে এই এলাকায় আর কেউ ধর্ষণ তো দূরের কথা, কোনো নারী বা শিশুকে ইভটিজিং করার দুঃসাহসও দেখাতে না পারে।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দ্রুত অভিযানে নামে। জনরোষ থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়ার আগেই লম্পট ও ধর্ষক দুলাল গাজীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নাবালিকা শিশু ধর্ষণের খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ দ্রুত অ্যাকশনে গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনানুযায়ী আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে।